এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির লোকসান বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) এপেক্স ট্যানারির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৪৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১৮ টাকা ১১ পয়সায়।
লোকসান বাড়ার কারণ হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জকে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্রি কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ার কারণে লোকসান হয়েছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এপেক্স ট্যানারির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ১৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এপেক্স ট্যানারির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৫ টাকা ৪৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এপেক্স ট্যানারি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ১৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৮২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৮৫ পয়সায়।
এপেক্স ট্যানারির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
১৯৮৫ সালে তালিকাভুক্ত এপেক্স ট্যানারির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার। এর ৩৪ দশমিক ৮২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ৭০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।